Main Menu

চোখের সাজ

চোখের আলাদা একটা ভাষাই আছে। উল্টাপাল্টা সাজ দিয়ে সেটাকে নষ্ট না করার পরামর্শ দেন রূপবিশেষজ্ঞরা। বরং চোখের আকার অনুযায়ী কাজল ও আইলাইনার লাগালে নজর কাড়বে সবার। রইল কিছু টিপস।

কাঠ বাদাম আকারের চোখে
ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের চোখ যেন কথা বলে। তাঁর চোখ অনেকটা কাঠ বাদাম আকারে। এ ধরনের চোখে ক্যাট আই ঢঙে আইলাইনার মানাবে বেশি। চোখের ওপরের অংশে কোনার (নাকের পাশ) থেকে চিকন করে লাইন টানা শুরু করুন। চোখের বাইরের দিকে যত আসবেন, তত মোটা করে আইলাইনার আঁকুন। শেষ প্রান্তে গিয়ে বাঁকা উঁচু করে টান দিন।

গোল চোখে
গোল চোখ আকারে বড় হওয়ার কারণে নজরও কাড়ে বেশি। চোখা তিনকোনা (‘ভি’ শেপ) করে আইলাইনার দিলে গোল ভাব কিছুটা হলেও কমবে। চোখের পাতার ওপরের অংশে কোনা থেকেই আইলাইনার টানা শুরু করুন। বাইরের দিকে এসে কিছুটা মোটা হয়ে যাবে। পাতার কোনায় এসে পড়লে টানাও বন্ধ করুন। এবার নিচের অংশে মাঝ বরাবর থেকে আইলাইনার দিয়ে শেষের দিকে চিকন করে টান দিন। শেষের দিকের ওপরের ও নিচের অংশের আইলাইনার কিছুটা মিশিয়ে (স্মাজ) দিন।

মোনোলিড চোখ
এই আকারের চোখের অধিকারীদের চোখের পাতার ওপরের ভাঁজ দেখা যায় না। এ ধরনের চোখের ওপরের আইলাইনারটি বেশ মোটা করেই লাগাতে হবে, যাতে চোখ খোলা অবস্থায় দেখা যায়।

বন্ধ (হুডের) চোখে
এ ধরনের চোখের ওপরের অংশে কিছুটা বাড়তি ত্বক থাকে। এ কারণে চোখের পাতা তুলনামূলকভাবে কম দেখা যায়। স্মোকি আইলাইনার সবচেয়ে ভালো সাজ হবে চোখের জন্য। চোখের ওপরে ভেতরের দিকে কাজল লাগান। এবার আইলাইনার লাগান ওপরে বাইরের দিকে। মিশিয়ে নিন ভালোভাবে। চোখের নিচে ভেতরের অংশে মাঝ বরাবর থেকে বাইরের দিকে হালকা চিকন করে কাজল লাগান। কোনার (নাকের পাশ) দিকে হাইলাইটার ব্যবহার করতে পারেন। এতে করে চোখ জোড়া ফুটে উঠবে।

ঊর্ধ্বমুখী চোখ
এ ধরনের চোখের ওপরের অংশে বাড়তি ত্বক না থাকায় চোখের পাতার বেশ খানিকটা অংশ বেশ ভালোভাবেই দেখা যায়। স্মোকি সাজ মানানসই। তবে আইলাইনারটাও ভালোভাবে বোঝা যেতে হবে। পেনসিল লাইনার দিয়ে ওপরের অংশটি এঁকে নিন। শেষের দিকটা একটু মোটা করুন। শেষের দিকটা একটু ব্লেন্ড করে নিন। এবার এর ওপর দিয়ে আবার লিকুইড আইলাইনার টানুন। এতে চোখে স্মোকি সাজও হবে, আবার আইলাইনারটাও বোঝা যাবে।

নিম্নমুখী চোখ
চোখের কোনার দিকের একটু অংশ হঠাৎ করেই যেন নেমে যায়। লিকুইড আইলাইনার দিয়ে চোখের ওপরের অংশটায় প্রথমে চিকন করা শেষে হালকা মোটা করে এঁকে নিন। এবার শেষের দিকে এসে ছোট করে একটু বাঁকা টানা দিন। এতে চোখের আকারে একটা ভারসাম্য চলে আসবে।