Main Menu

অনলাইনে বেড়েছে কেনাকাটা, শপিং মলে নেই তেমন ভিড়

থ্যাংকস গিভিং ডে-কে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে চলছে কেনাকাটার উৎসব।

তবে রিটেইল ষ্টোরে (খুচরা দোকান) যাওয়ার চেয়ে কম্পিউটার বা মোবাইলের মাধ্যমে অনলাইনেই বেশি পণ্য কিনছেন ক্রেতারা। অ্যাডবি অ্যানালিটিকসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ব্ল্যাক ফ্রাইডেতে অনলাইনে কেনাবেচা হয়েছে ৬০০ কোটি ডলার।

ব্ল্যাক ফ্রাইডে ক্রেতাদের কাছে গুরুত্ব হারাচ্ছে কিনা তা নিয়ে গত কয়েক বছর ধরেই বিতর্ক চলছে। কারণ রিটেইল স্টোরগুলোতে ক্রেতাদের আনাগোনা কমেছে। আগের মতো সেই ভিড় নেই। কারণ রিটেইল স্টোরগুলো থেকে পণ্য কিনতে ভোর হতেই ক্রেতাদেরকে লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হয়। ঝক্কি এড়াতে অনলাইনে কেনাকাটা করতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন ক্রেতারা। ব্যবসায়ী বিল পার্কের মতে, ক্রেতা ও বিক্রেতাদের কাছে প্ল্যাটফর্ম দুটির পার্থক্য কমে এসেছে।

রিটেইল নেক্সট নামে বাজার বিশ্লেষণকারী এক প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, আগের বছরের তুলনায় রিটেইল স্টোরে গিয়ে কেনাকাটা করার হার ৪ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে। অপর দিকে, অ্যাডোবি অ্যানালিটিক্স জানিয়েছে, অনলাইনে কেনাবেচার পরিমাণ গত বছরের তুলনায় বেড়েছে ১৬ দশমিক ৯ শতাংশ।

অনলাইনে কেনাবেচার কারণে ব্ল্যাক ফ্রাইডে সকালের বদলে গভীর রাত থেকেই শুরু হচ্ছে। তাই বড় বড় রিটেইল স্টোর যেমন টার্গেট, জেসিপেনি ও বেস্ট বাইয়ের সামনে ক্রেতাদের লম্বা লাইন দেখা যায়নি।

এর আগে এক রিসাকুইসি ইউনিভার্সিটির পরিচালিত এক জরিপে ৫৪ শতাংশ মার্কিনী জানান, ব্ল্যাক ফ্রাইডেতে তারা অনলাইন থেকেই কেনাকাটা করবেন। এর কারণ হিসেবে তারা সহজে পণ্য কেনার সুবিধার কথা উল্লেখ করেন।